২০১৬ থেকে, দেশের ঘরে ঘরে
স্টেডফাস্ট কুরিয়ার বাংলাদেশের ই-কমার্স লজিস্টিকসের অন্যতম বড় নেটওয়ার্ক — প্রতিদিন পিকআপ, ক্যাশ অন ডেলিভারি আর পরদিন পেমেন্ট, একটি দোকান থেকে জাতীয় ব্র্যান্ড পর্যন্ত সবার জন্য।
৬৪টি জেলার প্রতিটিতে, উপজেলা সদর থেকে ইউনিয়ন পর্যন্ত — একটাই নেটওয়ার্ক, প্রতিটি ধাপে স্ক্যান।
- ৩০০,০০০নিবন্ধিত মার্চেন্ট
- ৭,৫০০ডেলিভারি কর্মী
- ১,০০০ডেলিভারি পয়েন্ট
আমাদের মিশন
দ্রুত, নিরাপদ আর ঝামেলাহীন ডেলিভারি দিয়ে আপনার মুখে হাসি ফোটানো।
আমাদের ভিশন
প্রযুক্তিনির্ভর সমাধানে বাংলাদেশের ই-কমার্স লজিস্টিকসকে নতুন করে ভাবা।
আমরা যা করি
ই-কমার্স ডেলিভারি
অনলাইন অর্ডার, ক্যাশ অন ডেলিভারি সহ, দেশের যেকোনো ঠিকানায়।
পিক অ্যান্ড ড্রপ
একজন থেকে আরেকজনে — দরজা থেকে দরজায়।
প্যাকেজিং
পার্সেল যেভাবে পাঠানো হয়, সেভাবেই পৌঁছায়।
ওয়্যারহাউজিং
আপনার স্টক আমাদের হাবে — অর্ডার এলেই বেরিয়ে যায়।
যেভাবে শুরু
২০১৬ সালে ঢাকায় শুরু, এক দল রাইডার আর একটি প্রতিশ্রুতি নিয়ে: বলা সময়ে পৌঁছাব। আজ আটটি বিভাগীয় হাব, ১,০০০ ডেলিভারি পয়েন্ট আর ৭,৫০০ মানুষ সেই একই কাজ করছেন।
নেতৃত্ব
-

প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক
কে এম রিদওয়ানুল বারী জিয়ন
২০১৬ সালে ঢাকায় স্টেডফাস্ট কুরিয়ার প্রতিষ্ঠা করেন এবং তখন থেকে প্রতিদিন কোম্পানি চালাচ্ছেন — কয়েকজন রাইডার থেকে আজ প্রতিটি জেলায় পৌঁছানো একটি নেটওয়ার্ক পর্যন্ত।
ই-কমার্স উদ্যোক্তাদের জন্য ডেলিভারিকে সহজ, নির্ভরযোগ্য আর আনন্দের করে তোলাই আমাদের কাজ।
-

চেয়ারম্যান
জোয়াইরিয়া মোস্তারি
চেয়ারম্যান হিসেবে জোয়াইরিয়া মোস্তারি স্টেডফাস্ট কুরিয়ার লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের নেতৃত্ব দেন — আর তার সঙ্গে কোম্পানির দীর্ঘমেয়াদি দিকনির্দেশনা: নেটওয়ার্ক এরপর কোথায় বাড়বে, মানুষ ও হাবে কীভাবে বিনিয়োগ হবে, আর প্রতিটি ডেলিভারিতে কোন মান ধরে রাখা হবে।
লাইসেন্স ও সদস্যপদ
-
জিপিও লাইসেন্সপ্রাপ্ত
ডাক অধিদপ্তরের লাইসেন্সধারী কুরিয়ার সার্ভিস।
-
সিএসএবি সদস্য
কুরিয়ার সার্ভিসেস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ।
-
ইক্যাব সদস্য
ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ।